২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে পরিচালিত দেশের চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারিতে পাওয়া বিভিন্ন ধরনের তথ্যের মধ্যে ‘ব্যবসা নিবন্ধন তথ্যের’ এক-তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রেই অসংগতি পাওয়া গেছে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের ধরনে প্রায় ১৪ শতাংশ, কার্যক্রমের ধরনে ৮ শতাংশ, মালিকানা তথ্যের ক্ষেত্রে ৬ শতাংশ এবং অগ্নি নিরাপত্তা তথ্যের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ ভিন্নতা রয়েছে।
অর্থনৈতিক শুমারির গুণগত মান যাচাই করতে পোস্ট এনুমারেশন চেক (পিইসি) পরিচালনা করেছে বিআইডিএস ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। আজ মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিআইডিএস ভবনে আয়োজিত এক সেমিনারে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিইসি শুমারি ও পিইসির উত্তরের মধ্যে তথ্য-অসংগতি সুনির্দিষ্টভাবে খতিয়ে দেখা হয়েছে। তবে তথ্যে এসব অসংগতি মূলত উত্তরদাতার ভুল বোঝা, তথ্য ব্যাখ্যার অসুবিধা বা অনির্দিষ্টতা থেকে এসেছে; এগুলোকে কোনো পরিকল্পিত ভুল হিসেবে দেখা হয়নি।
