বিজনেস ওয়ার্ল্ডের এই সময়ের অন্যতম আলোচিত বিষয় হলো স্টারবাকস কফির ধারাবাহিক মন্দা ও ব্র্যান্ড-ধাক্কা। কফি পছন্দ করেন কিন্তু স্টারবাকসের নাম শোনেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বেশ মুশকিল। প্রথম সারির বড় বড় ব্র্যান্ডগুলোর তালিকা দেখলে সেখানে দেখা যাবে স্টারবাকসের নাম। স্টারবাকসের কফি কাপ হাতে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করা, কফিতে চুমুক দিতে দিতে অফিসে ঢোকাটা শুধু ট্রেন্ডিই না, বরং হাল জমানার স্টাইলও বটে। সেই স্টারবাকসই এখন নানা সমস্যায় পড়েছে, টলমল করছে তাদের বহু বছরের আধিপত্য।
গল্পটা শুরু ১৯৬২ সালে। আমেরিকার নাগরিক গর্ডন বোকার ইতালির মিলানে বেড়াতে গিয়ে এক ভিন্ন স্বাদের কফি পান করেন। সেই স্বাদ তার মনে দাগ কেটে যায়। ফিরে এসে তিনি বন্ধু জেরি বোল্ডউইন ও জেভ সিগলের সঙ্গে নতুন এক ব্যবসার কথা ভাবেন। তখনও আমেরিকায় ভালো মানের রোস্টেড কফির চল শুরু হয়নি। বেশিরভাগ ক্যাফেতেই সস্তা ও নিম্নমানের কফি পাওয়া যেত। তাঁরা সুযোগ দেখলেন সেখানেই। আর সেই ভাবনা থেকেই ১৯৭১ সালে সিয়াটলে জন্ম নেয় স্টারবাকস।
স্টারবাকস শুরুতে রেডিমেড কফি বিক্রি করত না। তারা মূলত খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে পাইকারিতে রোস্টেড কফি বিন বিক্রি করত। মান ভালো হওয়ায় খুব অল্প সময়েই তারা বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ১৯৮০ সাল নাগাদ সিয়াটলে তাদের চারটি আউটলেটও হয়ে যায়।
